ছবি, মূর্তি, টিভি ইত্যাদি হারাম। কোনো মুসলমান ছবি তুলতে পারে না, রাখতে পারে না, দেখতে পারে না। কেননা যেখানে ছবি থাকে সেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হয়। আর যে বা যারা ছবি তোলে, যার ছবি তোলা হয় প্রত্যেকের জন্যেই জাহান্নামের শাস্তি অবধারিত হয়ে যায়। কাজেই মুসলমানের জন্য ফরয ও ওয়াজিব হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ মুতাবিক চলা অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী চলা। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ঘরে প্রাণীর ছবি, মূর্তি থাকে সেখানে রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” বরং যেখানে প্রাণীর ছবি, মূর্তি থাকে সেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হয়। যারা ছবি তুলবে এবং যাদের ছবি তোলা হবে সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নতের উপযুক্ত হয়ে যায়; যেমনিভাবে ইবলিস মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নতের উপযুক্ত হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! কাজেই সাধারণ মুসলমান হোক অথবা মুসলমান সরকার হোক প্রত্যেকের জন্যেই লা’নতি ও ইবলিসী সকল প্রকার কাজ থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য কর্তব্য। অন্যথায় ইবলিসের যে পরিণতি হবে ছবি- টিভির সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরও তদ্রপ পরিণতি হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
https://www.blogger.com/blogger.g?blogID=25703236970789825#pageelements
Next
« Prev Post
« Prev Post
Previous
Next Post »
Next Post »
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


EmoticonEmoticon