পবিত্র কাবার দ্বারপ্রান্তে অবস্হিত কূপকে যমযম ইঁদারা (কূপ) বলে। এই কূপ আল্লাহতায়ালার কুদরতের একটি মহা নিদর্শন। পৃথিবীতে যত আশ্চর্যজনক সৃষ্টি রয়েছে যমযম ইঁদারা (কূপ) তার অন্যতম। এর পানি কখনো নিঃশেষ হয় না।
رَّبَّنَا إِنِّي أَسْكَنتُ مِن ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِندَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُواْ الصَّلاَةَ فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِّنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ وَارْزُقْهُم مِّنَ الثَّمَرَاتِ لَعَلَّهُمْ يَشْكُرُونَ আর্থঃ-
“হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সত্তানকে আপনার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে আবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি, হে আমাদের রব! যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি লোকের অন্তরে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবত তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।” (সুরা ইব্রাহীম ৩৭নং আয়াত)
কূপের ইতিহাস;
মহান আল্লাহতায়ালার অশেষ কৃপায় আল্লাহর খলিল হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র ৯৯ বছর বয়সে তাঁর ছোট পরিবার হাজেরার গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্মলাভ করে। তাঁর নাম রাখা হয় ইসমাঈল আলাইহিস সালাম। ছেলেটি যেন সোনার পুতুল, স্বর্গীয় নূরে যেন তাঁর সর্বাঙ্গ পরিপূর্ণ। তাঁর দিকে তাকালে মনে হয় সৃষ্টির কোনো রহস্য তাঁর মাঝে লুকায়িত আছে। তাঁর দ্বারা সৃষ্টির কোনো রহস্য উদঘাটিত হবে, যার ফলে হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম সন্তানসহ তার মা হাজেরা আলাইহাস সালাম কে ও খুব আদর, সোহাগ, স্নেহ এবং প্রাণঢালা ভালোবাসা দিতে থাকেন।
সর্বজ্ঞ স্রষ্টা, মহান আল্লাহতায়ালার হেকমতের মহাকৌশল কে বুঝতে পারে? এই নবজাত শিশু সন্তানের দ্বারা পুণ্যময় ভূমি মক্কায় রহমতের আধার বরকতময় ঝর্ণাধারা যমযম ইঁদারা(কূপ) আবিস্কৃত হবে। সমগ্র জগতের পূণ্যতীর্থ মহাপবিত্র কাবা গৃহ পুনঃনির্মাণ হবে। তাঁর বংশেই নিখিল বিশ্বের ত্রাণকর্তা, রহমতের ভাণ্ডার সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম)মক্কানগরে আগমন করবেন। তার বংশধারায় নির্জন মরু প্রান্তর আরব দেশ আবাদ হবে। তাই সর্বনিয়ন্তা এই নবজাত শিশু সন্তানটিকে মরু প্রান্তরে প্রেরণের সুব্যবস্থা করলেন। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র বড় পরিবার বিবি সারা বেগম, তার গর্ভে কোনো সন্তান না হওয়াতে তিনি নিজেই স্বামী ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ‘কে আলাইহিস সালাম দ্বিতীয় বিবাহ দেন বিবি হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র সাথে। হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র গর্ভে সন্তান জন্ম হওয়াতে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম একদিন আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘হে ইব্রাহীম(আলাইহিস সালাম)! আপনি ইসমাঈল (আলাইহিস সালাম) ও হাজেরা (আলাইহা সালাম) কে তরুলতাহীন নির্জন মরু প্রান্তে রেখে দিন, যাতে তাঁর দ্বারা এমন অভিনব মহানিদর্শন সৃষ্টি হয়। যা কিয়ামত পর্যন্ত অটুট থাকবে।’ হঠাৎ করে একদিন ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম তার আদরের দুলাল নয়নের তারা শিশুপুত্র ইসমাঈল আলাইহিস সালাম এবং প্রিয় সহধর্মিণী হাজেরা(আলাইহাস সালাম)কে নিয়ে এক বিরাট মরু প্রান্তরে উপনীত হন। যেখানে কোনো প্রকার তরুলতা, গাছপালা, নদ-নদী, খাদ্য,পানীয় এমনকি কোনো জনমানব পর্যন্ত নেই। যেদিকে চোখ যায় ধু-ধু মাঠ আর মাঠ, বালি আর বালি। ইবনে আব্বাস রা. এর এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ধৈর্য ধারণপূর্বক নবজাত শিশু সন্তানসহ বিবি হাজেরাকে সেখানে রেখে প্রস্থানের জন্য উদ্যত হন। তখন হাত তুলে প্রার্থনা করে বলেন, ‘হে আল্লাহ! আমি নবজাত শিশুকে নিরীহ মাতাসহ নির্জন প্রান্তরে রেখে গেলাম, তা কেবলমাত্র আপনারই নৈকট্য লাভের আশায়। হে আল্লাহ! এই জনমানবহীন ভীষণ প্রান্তরে আমি তাদেরকে আপনারই হাতে ন্যস্ত করলাম। তাদের তত্ত্বাবধানের ভার-দায়িত্ব আপনার ওপরই রইল।’
অতঃপর এক মশক পানি আর কিছু খেজুর হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র হাতে দিয়ে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম প্রস্থান করলেন। এমন সময় হাজেরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় স্বামী! আপনি কি আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট? আপনি আমাদের কেন, কার কাছে এই ভয়সংকুল প্রান্তরে রেখে যান?’ এই হ্নদয়বিদারক প্রশ্নে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র অন্তরে যে আঘাত লেগেছে, তা ভুক্তভোগী ব্যতীত অন্য কারো পক্ষেই হ্নদয়ঙ্গম করা সম্ভব নয়। ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম আত্মসংবরণকরত স্থির কণ্ঠে উত্তর দেন, আমি তোমাদের আল্লাহর হাতে সমর্পন করছি। আর তা কেবল মাত্র আল্লাহর নির্দেশেই। এই উত্তর শুনে হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র মনের উদ্বেগ তিরোহিত হলো, তিনি স্বামীকে ছেড়ে দিলেন। ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম চলে যান। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম হাজেরা(আলাইহাস সালাম) কে যে পানি আর খেজুর দিয়েছিলেন তা কয়েকদিনের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যায়। কয়েকদিন অনাহারে থাকার কারণে হাজেরার দেহের পানি শুকিয়ে যায়। যার ফলে তার বুকে এক ফোঁটা দুধও আর দেখা গেল না। এ অবস্থায় নবজাত কচি শিশু ক্ষুধার তাড়নায় ছটফট করতে থাকে। কচি শিশু সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখে হাজেরা ধৈর্য হারা হয়ে পড়েন। এখন শিশু সন্তানের প্রাণ ওষ্ঠাগত দেখে তিনি পার্শ্ববর্তী ছাফা পাহাড়ের উপর উঠে চারদিক তাকাতে লাগলেন। কিন্তু কোথাও পানি বা খাদ্যের কোনো নিদর্শন না পেয়ে কিছু দূরে মারওয়া নামক অপর পাহাড়টিতে উঠে পানির সন্ধান করতে লাগলেন। এভাবে হাজেরা(আলাইহাস সালাম) উভয় পাহাড়ে সাতবার পর্যন্ত আসা-যাওয়ার মাধ্যমে যখন উঠানামা করতেছিলেন, তা আল্লাহর কাছে খুবই পছন্দনীয় হয়েছে বিধায় তা ইসলামের ধর্মানুষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হজ ও ওমরার মাধ্যমে শামিল করেন। এই পূন্যব্রত ওমরাহ বিবি হাজেরা (আলাইহাস সালাম)এবং শিশু ইসমাঈলের আলাইহিস সালাম স্মৃতিচিহ্ন স্বরূপ পুণ্য হজের অঙ্গরূপে কিয়ামত পর্যন্ত অটুট থাকবে।
“হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সত্তানকে আপনার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে আবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি, হে আমাদের রব! যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি লোকের অন্তরে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবত তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।” (সুরা ইব্রাহীম ৩৭নং আয়াত)
কূপের ইতিহাস;
মহান আল্লাহতায়ালার অশেষ কৃপায় আল্লাহর খলিল হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র ৯৯ বছর বয়সে তাঁর ছোট পরিবার হাজেরার গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্মলাভ করে। তাঁর নাম রাখা হয় ইসমাঈল আলাইহিস সালাম। ছেলেটি যেন সোনার পুতুল, স্বর্গীয় নূরে যেন তাঁর সর্বাঙ্গ পরিপূর্ণ। তাঁর দিকে তাকালে মনে হয় সৃষ্টির কোনো রহস্য তাঁর মাঝে লুকায়িত আছে। তাঁর দ্বারা সৃষ্টির কোনো রহস্য উদঘাটিত হবে, যার ফলে হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম সন্তানসহ তার মা হাজেরা আলাইহাস সালাম কে ও খুব আদর, সোহাগ, স্নেহ এবং প্রাণঢালা ভালোবাসা দিতে থাকেন।
সর্বজ্ঞ স্রষ্টা, মহান আল্লাহতায়ালার হেকমতের মহাকৌশল কে বুঝতে পারে? এই নবজাত শিশু সন্তানের দ্বারা পুণ্যময় ভূমি মক্কায় রহমতের আধার বরকতময় ঝর্ণাধারা যমযম ইঁদারা(কূপ) আবিস্কৃত হবে। সমগ্র জগতের পূণ্যতীর্থ মহাপবিত্র কাবা গৃহ পুনঃনির্মাণ হবে। তাঁর বংশেই নিখিল বিশ্বের ত্রাণকর্তা, রহমতের ভাণ্ডার সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম)মক্কানগরে আগমন করবেন। তার বংশধারায় নির্জন মরু প্রান্তর আরব দেশ আবাদ হবে। তাই সর্বনিয়ন্তা এই নবজাত শিশু সন্তানটিকে মরু প্রান্তরে প্রেরণের সুব্যবস্থা করলেন। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র বড় পরিবার বিবি সারা বেগম, তার গর্ভে কোনো সন্তান না হওয়াতে তিনি নিজেই স্বামী ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ‘কে আলাইহিস সালাম দ্বিতীয় বিবাহ দেন বিবি হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র সাথে। হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র গর্ভে সন্তান জন্ম হওয়াতে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম একদিন আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘হে ইব্রাহীম(আলাইহিস সালাম)! আপনি ইসমাঈল (আলাইহিস সালাম) ও হাজেরা (আলাইহা সালাম) কে তরুলতাহীন নির্জন মরু প্রান্তে রেখে দিন, যাতে তাঁর দ্বারা এমন অভিনব মহানিদর্শন সৃষ্টি হয়। যা কিয়ামত পর্যন্ত অটুট থাকবে।’ হঠাৎ করে একদিন ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম তার আদরের দুলাল নয়নের তারা শিশুপুত্র ইসমাঈল আলাইহিস সালাম এবং প্রিয় সহধর্মিণী হাজেরা(আলাইহাস সালাম)কে নিয়ে এক বিরাট মরু প্রান্তরে উপনীত হন। যেখানে কোনো প্রকার তরুলতা, গাছপালা, নদ-নদী, খাদ্য,পানীয় এমনকি কোনো জনমানব পর্যন্ত নেই। যেদিকে চোখ যায় ধু-ধু মাঠ আর মাঠ, বালি আর বালি। ইবনে আব্বাস রা. এর এক বর্ণনায় এসেছে, হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ধৈর্য ধারণপূর্বক নবজাত শিশু সন্তানসহ বিবি হাজেরাকে সেখানে রেখে প্রস্থানের জন্য উদ্যত হন। তখন হাত তুলে প্রার্থনা করে বলেন, ‘হে আল্লাহ! আমি নবজাত শিশুকে নিরীহ মাতাসহ নির্জন প্রান্তরে রেখে গেলাম, তা কেবলমাত্র আপনারই নৈকট্য লাভের আশায়। হে আল্লাহ! এই জনমানবহীন ভীষণ প্রান্তরে আমি তাদেরকে আপনারই হাতে ন্যস্ত করলাম। তাদের তত্ত্বাবধানের ভার-দায়িত্ব আপনার ওপরই রইল।’
অতঃপর এক মশক পানি আর কিছু খেজুর হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র হাতে দিয়ে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম প্রস্থান করলেন। এমন সময় হাজেরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে আমার শ্রদ্ধেয় স্বামী! আপনি কি আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট? আপনি আমাদের কেন, কার কাছে এই ভয়সংকুল প্রান্তরে রেখে যান?’ এই হ্নদয়বিদারক প্রশ্নে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম’র অন্তরে যে আঘাত লেগেছে, তা ভুক্তভোগী ব্যতীত অন্য কারো পক্ষেই হ্নদয়ঙ্গম করা সম্ভব নয়। ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম আত্মসংবরণকরত স্থির কণ্ঠে উত্তর দেন, আমি তোমাদের আল্লাহর হাতে সমর্পন করছি। আর তা কেবল মাত্র আল্লাহর নির্দেশেই। এই উত্তর শুনে হাজেরা আলাইহা সালাম ‘র মনের উদ্বেগ তিরোহিত হলো, তিনি স্বামীকে ছেড়ে দিলেন। ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম চলে যান। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম হাজেরা(আলাইহাস সালাম) কে যে পানি আর খেজুর দিয়েছিলেন তা কয়েকদিনের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যায়। কয়েকদিন অনাহারে থাকার কারণে হাজেরার দেহের পানি শুকিয়ে যায়। যার ফলে তার বুকে এক ফোঁটা দুধও আর দেখা গেল না। এ অবস্থায় নবজাত কচি শিশু ক্ষুধার তাড়নায় ছটফট করতে থাকে। কচি শিশু সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখে হাজেরা ধৈর্য হারা হয়ে পড়েন। এখন শিশু সন্তানের প্রাণ ওষ্ঠাগত দেখে তিনি পার্শ্ববর্তী ছাফা পাহাড়ের উপর উঠে চারদিক তাকাতে লাগলেন। কিন্তু কোথাও পানি বা খাদ্যের কোনো নিদর্শন না পেয়ে কিছু দূরে মারওয়া নামক অপর পাহাড়টিতে উঠে পানির সন্ধান করতে লাগলেন। এভাবে হাজেরা(আলাইহাস সালাম) উভয় পাহাড়ে সাতবার পর্যন্ত আসা-যাওয়ার মাধ্যমে যখন উঠানামা করতেছিলেন, তা আল্লাহর কাছে খুবই পছন্দনীয় হয়েছে বিধায় তা ইসলামের ধর্মানুষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হজ ও ওমরার মাধ্যমে শামিল করেন। এই পূন্যব্রত ওমরাহ বিবি হাজেরা (আলাইহাস সালাম)এবং শিশু ইসমাঈলের আলাইহিস সালাম স্মৃতিচিহ্ন স্বরূপ পুণ্য হজের অঙ্গরূপে কিয়ামত পর্যন্ত অটুট থাকবে।
হাজেরা (আলাইহা সালাম)যখন সপ্তম বার মারওয়া পাহাড়ে আরোহন করেন, ঠিক তখনই আল্লাহ তার এ ব্যাকুলতা দেখে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম -কে পাঠিয়ে দেন এবং জিবরাঈল আলাইহিস সালাম স্বীয় পাখার আঘাতে ইসমাঈল আলাইহিস সালাম -এর পায়ের নিচ থেকে এ কুদরতি ঝরনা নিঃসরণ করেন। এদিকে হযরত জিব্রাইল আলাইহিস সালাম শিশু ইসমাঈল আলাইহিস সালাম ‘র পায়ের পদাঘাতের স্থানে মিষ্টি পানির এক পবিত্র উৎস রচনা করে দেন। হাজেরা (আলাইহাস সালাম)নিরূপায় হয়ে সন্তানের কাছে ফিরে এসে দেখেন, ইসমাঈল আলাইহিস সালাম‘র পদতল থেকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তা দেখে তিনি অধিক আনন্দিত হন এবং প্রাণ ভরে পানি পান করে, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। অপরদিকে প্রবাহিত পানি নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি চতুর্দিকে দ্রুত বালুর বাঁধ দিতে লাগলেন। পানির এ উৎসটিই যমযম ইন্দিরা (কূপ) নামে পরিচিত। আর এটিই হলো হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম র শৈশব কালের অমর কীর্তির মোজেজা।
বিবি হাজেরা (আলাইহা সালাম)পানি আবদ্ধ রাখার জন্য যখন বালি দ্বারা বাঁধ দিতে ছিলেন, তখন পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বাঁধ ভেঙে যেতে দেখে, পানির দিকে লক্ষ্য করে তিবরানী ভাষায় বলতে লাগলেন যমযম (থাম্ থাম্) অনেকের ধারণা এ থেকেই এর নাম যমযম, যমযমকে রাকদাতু জিবরীল এবং বির’ই ইসমাইলসহ ১২টি নামে অভিহিত করা হয়। ” যমযম” অর্থ- থাম, স্থির হও। তখন আল্লাহর কুদরতে পানি আর চারদিকে প্রবাহিত না হয়ে পানি স্থির হয়ে যায়। আর ওই কুপের নামকরণ করা হয় যমযম ইন্দিরা (কূপ)। ধারণা করা হয়, হাজেরা (আলাইহাস সালাম) যদি ওই দিন পানিকে না আটকাতেন তাহলে পুরো দুনিয়া সয়লাব হয়ে যেত। (ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটাই হল সাফা মারওয়ার মাঝে মানুষের সাঈ (করার কারণ)। তিনি মারওয়ার ওপর থাকাকালে একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজেকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘থামো!’ তিনি আবারও আওয়াজটি শুনতে পেয়ে বললেন_ শুনতে পেয়েছি, তবে তোমার কাছে কোন ত্রাণ আছে কি না তাই বলো। তিনি দেখলেন, যমযমের জায়গায় একজন ফেরেশতা তাঁর পায়ের গোড়ালি বা পাখা দিয়ে মাটি খুঁড়ছে। এক পর্যায়ে পানি বের হয়ে এল, তিনি হাউজের মতো করে পানি আটকাতে লাগলেন। ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ইসমাইল আলাইহি সালাম এর মাতার ওপর রহম করুন। তিনি যমযমকে ছেড়ে দিলে, বর্ণনান্তরে-যমযমের পানি না ওঠালে, যমযম একটি চলমান ঝরনায় পরিণত হত। ফেরেশতা হাজেরা আলাইহা সালাম কে বললেন, হারিয়ে যাওয়ার ভয় করো না, কেননা এখানে বায়তুল্লাহ, যা নির্মাণ করবে এই ছেলে ও তার পিতা। আর আল্লাহ তার আহালকে ধ্বংস করেন না। যমযম কূপের অবস্থান হেরেম শরীফে কাবার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে।
বিবি হাজেরা (আলাইহা সালাম)পানি আবদ্ধ রাখার জন্য যখন বালি দ্বারা বাঁধ দিতে ছিলেন, তখন পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বাঁধ ভেঙে যেতে দেখে, পানির দিকে লক্ষ্য করে তিবরানী ভাষায় বলতে লাগলেন যমযম (থাম্ থাম্) অনেকের ধারণা এ থেকেই এর নাম যমযম, যমযমকে রাকদাতু জিবরীল এবং বির’ই ইসমাইলসহ ১২টি নামে অভিহিত করা হয়। ” যমযম” অর্থ- থাম, স্থির হও। তখন আল্লাহর কুদরতে পানি আর চারদিকে প্রবাহিত না হয়ে পানি স্থির হয়ে যায়। আর ওই কুপের নামকরণ করা হয় যমযম ইন্দিরা (কূপ)। ধারণা করা হয়, হাজেরা (আলাইহাস সালাম) যদি ওই দিন পানিকে না আটকাতেন তাহলে পুরো দুনিয়া সয়লাব হয়ে যেত। (ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটাই হল সাফা মারওয়ার মাঝে মানুষের সাঈ (করার কারণ)। তিনি মারওয়ার ওপর থাকাকালে একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে নিজেকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘থামো!’ তিনি আবারও আওয়াজটি শুনতে পেয়ে বললেন_ শুনতে পেয়েছি, তবে তোমার কাছে কোন ত্রাণ আছে কি না তাই বলো। তিনি দেখলেন, যমযমের জায়গায় একজন ফেরেশতা তাঁর পায়ের গোড়ালি বা পাখা দিয়ে মাটি খুঁড়ছে। এক পর্যায়ে পানি বের হয়ে এল, তিনি হাউজের মতো করে পানি আটকাতে লাগলেন। ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ ইসমাইল আলাইহি সালাম এর মাতার ওপর রহম করুন। তিনি যমযমকে ছেড়ে দিলে, বর্ণনান্তরে-যমযমের পানি না ওঠালে, যমযম একটি চলমান ঝরনায় পরিণত হত। ফেরেশতা হাজেরা আলাইহা সালাম কে বললেন, হারিয়ে যাওয়ার ভয় করো না, কেননা এখানে বায়তুল্লাহ, যা নির্মাণ করবে এই ছেলে ও তার পিতা। আর আল্লাহ তার আহালকে ধ্বংস করেন না। যমযম কূপের অবস্থান হেরেম শরীফে কাবার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে।


EmoticonEmoticon