প্রাচীনকাল থেকেই চিকিত্সা, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও রূপচর্চায় ব্যবহূত হয়ে আসছে মধু। অনেকেই মধুর নানাবিধ উপকারের কথা জানেন না। চলুক জেনে নেয়া যাক মধুর ছয়টি ব্যবহার।
ময়শ্চারাইজিং মাস্ক:
মধু প্রাকৃতিকভাবে আপনার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং অনেক সময় ধরে এটি ধরে রাখে। ১ চা চামচ মধু নিয়ে ত্বকে মাখুন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ফেসিয়াল ক্লিনজার:
সংবেদনশীল ও ব্রণযুক্ত ত্বকের ক্লিনজার হিসেবে বেশ কার্যকরী। মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে।
কাটা ও পোড়ার চিকিৎসায়:
কাটা ও পোড়ার জায়গায় মধু লাগালে ইনফেকশন হওয়া আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। মধু লাগিয়ে ঐ স্থানটিতে গজ দিয়ে বেঁধে দিন। এটি দূষিত পরিবেশ থেকে জায়গাটিতে রক্ষা করতে। এছাড়াও যেকোনো দুর্গন্ধ হতে এটি রোধ করবে।
কন্ডিশনার:
ত্বকের সঙ্গে সঙ্গে মধু চুলের যত্নে ব্যবহূত হয়ে থাকে। কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করতে এক কাপ মধু নিন। এর সঙ্গে এক কাপের চারভাগের এক ভাগ অলিভ অয়েল মেশান। হালকা গরম করুন। চুলে লাগিয়ে তোয়ালে বা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ঢেকে রাখুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে:
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে মধু বেশ উপকারী। এছাড়াও ত্বকের দাগ দূর করতেও এটি বেশ কার্যকরী। এক চা চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ নারিকেল তেল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন। এরপর একটি গরম পানিতে ভিজানো কাপড় নিয়ে মুখের উপর দিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। প্রতিদিন এটি করলে উপকার পাবেন।
মহিলা সমস্যা দূর করতে:
মধু ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড তৈরি প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করে। এটি শরীরের হরমোনাল প্রক্রিয়াকে নিয়মিত করতে সাহায্য করে। যারা অনিয়মিত সমস্যায় ভুগছেন তারা এক গ্লাস গরম পানি অথবা হারবাল চায়ের সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে দিনে একবার করে পান করুন।

EmoticonEmoticon