আত-তাক্বউইমুশ শামসি: মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “তোমরা কাফির, মুশরিক, তথা ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদেরকে অনুসরণ অনুকরণ করোনা। এছাড়াও হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করবে সে ব্যক্তি তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে।” আর সে কারণেই যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদুয যামান, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক দোয়া এবং পৃষ্ঠপোষকতায় উনার খাছ আওলাদ আওলাদে রসূল, কুতুবুল আলম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সঙ্গে গভীর নিছবতের কারণে এই মুবারক তাক্বউইম (দিন গণনা পদ্ধতি) রচনা করেন। যেন কাফিরদের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ না করে এই মুবারক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা যায় অর্থাৎ কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফ-এর পূর্ণ অনুসরণ করা যায়।
গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার: ইউরোপের খৃস্টানরা ২১শে মার্চ ইস্টার দিবস পালন করতো (যেদিন দিন-রাত সমান হয়)। কিন্তু দেখা গেলো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলে ইস্টার ডে চলে আসে ১২ই মার্চ। ফলে তারা তাদের এই ইস্টার ডে পালনের জন্যই জুলিয়ান ক্যালেন্ডার সংশোধন করে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার করে। উল্লেখ্য ইস্টার ডে হচ্ছে কাফিরদের কাছে সেই দিন, যেদিন তারা মনে করে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম নাকি ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার তিনদিন পর এই দিনে আবার ফিরে আসেন। নাঊযুবিল্লাহ!


EmoticonEmoticon