ঋতু বৈচিত্র্যের দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। বছরের প্রতিটি মাসেই পাওয়া যায় প্রচুর ফল ও সবজি। কিন্তু কিছু অসৎ ব্যবসায়ী বেশ কয়েক বছর ধরে লাল এবং হলুদ রঙয়ের ফল ও সবজি আকর্ষণীয় করার জন্য এবং আধা-পাকা ফলকে পাকা দেখানোর জন্য কাপড়ে ব্যবহৃত কৃত্রিম রঙ বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করছে। এসব রঙ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর, যা ক্যান্সার, কিডনি বিকল, অটিজম, খাদ্য বিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, বমিসহ মৃত্যুর কারণ হয়ে দেখা দেয়। সহজলভ্য সনাক্তকরণ প্রযুক্তির অভাবে জনগণের আক্ষেপ করা ছাড়া কিছুই করার নেই। প্রতিবছর বাংলাদেশে অনেক লোক কৃত্রিম রঙ ব্যবহার করা বিভিন্ন ধরনের ফল খেয়ে মারা যাচ্ছে।
এসব মানুষের কথা চিন্তা করেই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ফারুক বিন হোসেন ইয়ামিন উদ্ভাবন করেছেন নতুন এক কিট। এ কিট ব্যবহার করে ক্যরোটিনয়েড ও লাইকোপিন পিগমেন্ট সমৃদ্ধ লাল এবং হলুদ রঙের ফল এবং সবজিতে কৃত্রিম রঙ ব্যবহৃত হয়েছে কীনা তাৎক্ষণিক জানা যাবে। তরমুজ, টমেটো, চেরি এবং গাজরের ক্ষেত্রে এ কিট ব্যবহার করে সঠিকভাবে ব্যবহৃত কৃত্তিম রঙের উপস্থিতি নির্ণয় করা সম্ভব। প্রতিটি টেস্টের জন্য খরচ হবে ২ থেকে ৩ টাকা মাত্র। আর এটিতে প্রচলিত অন্যান্য কিটের মতো অতিঘন মাত্রায় এসিড ব্যবহার করা হয়নি। যে কারণে ব্যবহারকালীন সময়ে ব্যবহারকারীর হাতে বা শরীরে পড়লে কোনো ক্ষতি হবে না।
কিটের ব্যাপারে বিজ্ঞানী ফারুক বিন হোসেন ইয়ামিন বলেন, ‘কম খরচের কার্যকরী এ কিটটি জনসাধারণসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ব্যবহার করলে সহজেই ফল এবং সবজিতে ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙ ব্যবহারকারী অসৎ ব্যবসায়ী এবং ক্ষতিকর ফল এবং সবজি সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে ফল এবং সবজিতে কৃত্রিম রঙ ব্যবহারজনিত কারণে শিশুমৃত্যুসহ দীর্ঘমেয়াদী অনেক রোগব্যাধি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আশাকরি সরকার এ কিটটি দ্রুত জনগণের কাছে সহজলভ্য করাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ব্যবহারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
পদ্ধতি:
তরমুজ, টমেটো, চেরি বা গাজর থেতলে তার ৫ মিলি. পরিমাণ রস চামচ বা কাঁচের টিউবে নিয়ে ২ ফোঁটা দ্রবণ দিয়ে হালকা ঝাকালে বর্ণ পরিবর্তন হয়ে গাঢ় সবুজ হলে নিরাপদ। আর বর্ণ বেগুনী, পিংক বা অন্য যেকোনো রঙ হলে অনিরাপদ। ব্যবহৃত কৃত্রিম রঙয়ের মান, পরিমাণ এবং রকমভেদে বিভিন্ন বর্ণ ধারণ করবে। উদ্ভাবিত দ্রবণটি ক্যরোটিনয়েড ও লাইকোপিন পিগমেন্টের সঙ্গে বিক্রিয়া করে গাঢ় সবুজ বর্ণ ধারণ করে। দ্রবণটি সাধারণত কৃত্রিম রঙয়ের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না বা করলেও সবুজ ব্যতীত অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে।
কিটের ব্যাপারে বিজ্ঞানী ফারুক বিন হোসেন ইয়ামিন বলেন, ‘কম খরচের কার্যকরী এ কিটটি জনসাধারণসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ব্যবহার করলে সহজেই ফল এবং সবজিতে ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙ ব্যবহারকারী অসৎ ব্যবসায়ী এবং ক্ষতিকর ফল এবং সবজি সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে ফল এবং সবজিতে কৃত্রিম রঙ ব্যবহারজনিত কারণে শিশুমৃত্যুসহ দীর্ঘমেয়াদী অনেক রোগব্যাধি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আশাকরি সরকার এ কিটটি দ্রুত জনগণের কাছে সহজলভ্য করাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ব্যবহারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
পদ্ধতি:
তরমুজ, টমেটো, চেরি বা গাজর থেতলে তার ৫ মিলি. পরিমাণ রস চামচ বা কাঁচের টিউবে নিয়ে ২ ফোঁটা দ্রবণ দিয়ে হালকা ঝাকালে বর্ণ পরিবর্তন হয়ে গাঢ় সবুজ হলে নিরাপদ। আর বর্ণ বেগুনী, পিংক বা অন্য যেকোনো রঙ হলে অনিরাপদ। ব্যবহৃত কৃত্রিম রঙয়ের মান, পরিমাণ এবং রকমভেদে বিভিন্ন বর্ণ ধারণ করবে। উদ্ভাবিত দ্রবণটি ক্যরোটিনয়েড ও লাইকোপিন পিগমেন্টের সঙ্গে বিক্রিয়া করে গাঢ় সবুজ বর্ণ ধারণ করে। দ্রবণটি সাধারণত কৃত্রিম রঙয়ের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না বা করলেও সবুজ ব্যতীত অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে।

EmoticonEmoticon