ইহুদী নাসারা মুশরিক তথা বিধর্মী বিজাতিরা এত বেশি ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী যে, তারা ইসলামী কিংবা মুসলিম ভাবাপন্ন কোনো নাম নিশানাকেও বরদাশত করতে পারে না। যে কারণে তারা তাদের লিখিত গল্প কবিতা সাহিত্য রচনায় সব সময় মুসলমান উনাদের প্রকৃত নামগুলো বিকৃত করে লিখে এবং তা প্রচার করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন ব্রিটিশ আমলে মুশরিক আর নাসারা গং সম্মিলিতভাবে চক্রান্ত করে মুসলমান উনাদের নামের আগে পরে লিখিত মুহম্মদ কিংবা আহমদ নাম মুবারক বরদাশত করতে পারেনি। তারা তাদের রক্ষিত দলীলপত্রে মুসলমানদের নামের আগে হিন্দুদের মতো শ্রী শ্রী নাপাক শব্দ ব্যবহার করেছে। নাউযুবিল্লাহ! ১৯১১ সালের নোয়াখালীর ডিস্ট্রিক গেজেটে দেখা গেছে অনেক মুসলমান উনাদের নামে দত্ত, পাল,চাঁদ উপাধী যোগ করা হয়েছে। সুবিখ্যাত আউলিয়া, হযরত কারামত আলাী জৌনপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি ব্যাপক প্রচার-প্রসার আর দ্বীনি দাওয়াত নছীহতের মাধ্যমে ঐসকল হিন্দুয়ানী পদবী থেকে মুসলমান উনাদেরকে বের করে আনতে সফল হন। অথচ বর্তমানে সেই মুসলামান উনারাই হিন্দুয়ানী মুশরিক নামকে সাদরে গ্রহন করে নিচ্ছেন। নাউযুবিল্লাহ!
বিধর্মী বিজাতি তারা কিন্তু কখনোই কোন মুসলমানী তথা ইসলামী নামকে গ্রহন করেনি। শুধু কি তাই! একটি সন্ত্রাসবাদী বিজাতী বিধর্মী সংগঠন ২০০০ সালের ৬ই জুন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হতে মুসলমান উনাদের নামের শুরুতে মুহম্মদ নাম মুবারক বর্জনের জন্য দাবি তোলে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমান নামধারী কতিপয় চিহ্নিত নাস্তিক বুদ্ধিবিজীবি ঐ মুশরিকদের অবৈধ দাবীর পক্ষে নিজেদের কুফরী মত ব্যক্ত করে। এমনকি তারা তাদের এমন কুফরী দাবিটি নির্লজ্জভাবে বাস্তবায়ন করতে আবু মুহম্মদ হাবিবুল্লাহ স্মরণে একটি প্রবন্ধ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করে। সেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে হেডলাইন এবং ভিতরে যতবার উনার নাম এসেছে ততবার লেখেছে এইভাবে- আবু মোহামেদ হাবীবুল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এভাবেই তারা বিভিন্ন জেলা উপজেলা থানা ইউনিয়ন রাস্তাঘাট সবজায়গায় হিন্দুয়ানী নামকে ধরে রাখলেও মুসলমান উনাদের নামকে বিকৃত করেছে, কোথাও বাদ দিয়েছে। এটা মূলত’ তাদের সূদুরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ। যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইসলাম ও মুসলমান উনাদের নাম নিশানাকে ভুলে যায়। নাউযুবিল্লাহ!

EmoticonEmoticon