যমযমের পানি বরকতময়
যমযমের পানি একদিকে যেমন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা উভয়টিই নিবারণ করে থাকে। অপরদিকে তেমনি পেটের হজম শক্তি বাড়িয়ে শরীরকে পুষ্ট ও বলিষ্ঠ করে তোলে। রসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এ সম্বন্ধে বলেছেন, “এই পানি শুধু পানীয় নয়, বরং খাদ্যের অংশ এবং ইহাতে পুষ্টি রয়েছে।” যার জন্য যমযমের পানি পান করার পর কেউ হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন খানা দিলে তিনি বলতেন, আমার পেট ভরে গেছে। আরো এখানে উল্লেখ্য যে এই পানি দ্বারাই জিব্রাইল আলাইহিস সালাম কর্তৃক রসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সিনা চাক করা হয়েছিল। ওষুধ হিসাবে এই পানি সর্বরোগের মহৌষধ। ইহাদ্বারা আমাশয়, পেট-কামড় ও পেট-ব্যথা ভাল হয়ে যায়। প্রস্রাবজনিত রোগে এবং মূত্রাশয় ও মূত্রথলীর রোগে (যেমন পাথর ও ব্যথা) ইহা বিশেষ উপকারী। ডায়রিয়া ও কলেরা রোগেও ইহা সুফল আনয়ন করে। এ ছাড়া যিনি যে নিয়তে এই পানি পান করেন, তার সেই বিষয়ে উপকার হয়ে থাকে। হাদীস শরীফে একে রোগ মুক্তির উসিলা এবং মনের আশা পূরণের কারণ হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়েছে। বর্ণিত আছে যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় সে উদ্দেশ্যই পূরণ হয়। যে ব্যক্তি রোগ মুক্তির জন্য পান করে আল্লাহ তাঁকে রোগ মুক্ত করেন। যিনি ক্ষুধা নিবারণের কারণে পান করেন, আল্লাহ তার ক্ষুধা নিবারণ করেন। যিনি অন্য কোন প্রয়োজনে পান করেন আল্লাহ তার সে প্রয়োজন পূরণ করেন। হযরত আয়শা আলাইহাস সালাম যমযমের পানি সঙ্গে নিয়ে যেতেন এবং বলতেন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহা সঙ্গে নিয়ে যেতেন এবং রোগীদের উপর ছিটিয়ে দিতেন। হযরত হাসান ও হোসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) এর মুখের প্রথম খাবার হিসেবে যমযমের পানি দেয়া হয়েছিল। মিরাজ রজনীতে যমযমের পানি দিয়েই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ছিনা ছাক করা হয়েছিল। যা যমযম এর অধিক ফযিলতই বর্ণনা করে। আল্লাহ্ পাক পারতেন বেহেশত থেকে পানি এনে রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিনা ছাক করাতে কিন্তু যমযমের পানির অধিক মর্যাদার কারণে আল্লাহ একেই যথেষ্ট মনে করলেন। হাদীস শরীফে আছে হযরত ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন পৃথিবীর উপর যমযমের পানি সর্বশ্রেষ্ঠ। এতে খাদ্য শক্তি ও রোগের জন্য শিফা (আরোগ্য) রয়েছে।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এই কূপের পানি পৃথিবীর সমস্ত পানি থেকে স্বচ্ছ, উৎকৃষ্ট, পবিত্র ও বরকতময়। একমাত্র


EmoticonEmoticon