“নামধারী মহাবিজ্ঞানী এক একটা মহাচোর!”
.
ধরুন রকেট আবিষ্কারের কথা…
রকেটের আবিষ্কারক হিসাবে যে সকল মহাবিজ্ঞানীদের নাম সচারাচর শুনা যা তারা হল-
১- ‘রাবার্ট হ্যাবিং গডার্ড’।
২- ‘ডব্লিও কংগ্রিড’।
৩- ‘Konstantin Tsiolkovsky’.
৪- ‘Hermann Oberth’.
.
উপরে উল্লেখিত সবকয়টি নামধারী মহাবিজ্ঞানী এক একটা মহাচোর!
.
“মূলতঃ রকেট আবিষ্কাকের পিছনে যেই বিজ্ঞানীর অবস্বরনীয় অবদান তিনি হলেন ভারতীয় উপমহাদেশের শেরে মুহীশুর হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লহি আলাইহি।”
তিনিই সর্বপ্রথম সার্থকভাবে ১৭৮০ খিষ্ট্রাব্ধে ব্রিটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিরুদ্ধে রকেট ব্যবহার করেন।
.
ধরুন রকেট আবিষ্কারের কথা…
রকেটের আবিষ্কারক হিসাবে যে সকল মহাবিজ্ঞানীদের নাম সচারাচর শুনা যা তারা হল-
১- ‘রাবার্ট হ্যাবিং গডার্ড’।
২- ‘ডব্লিও কংগ্রিড’।
৩- ‘Konstantin Tsiolkovsky’.
৪- ‘Hermann Oberth’.
.
উপরে উল্লেখিত সবকয়টি নামধারী মহাবিজ্ঞানী এক একটা মহাচোর!
.
“মূলতঃ রকেট আবিষ্কাকের পিছনে যেই বিজ্ঞানীর অবস্বরনীয় অবদান তিনি হলেন ভারতীয় উপমহাদেশের শেরে মুহীশুর হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লহি আলাইহি।”
তিনিই সর্বপ্রথম সার্থকভাবে ১৭৮০ খিষ্ট্রাব্ধে ব্রিটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বিরুদ্ধে রকেট ব্যবহার করেন।
“হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লহি আলাইহি তিনি ‘ফাতহুল
মুজাহিদিন’ নামে একটি কিতাব বা বই লিখেন। যেখানে পৃথিবীতে
সর্বপ্রথম জ্বালানি রকেট-এর
ব্যবহারবিধি এবং একাধিক রকেট
লাঞ্চার কিভাবে ব্যবহার করতে হবে
তা বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি উনার
রচিত ‘ফাথহুল মুজাহিদিন’ বইটি উনার সব সেনা কর্মাধ্যক্ষদের মধ্যে বিতরণ করেন।
পরবর্রতীতে এই বইটি এবং কৌশল তথা প্রযুক্তিটি ব্রিটিশ লুটেরা
দস্যুরা চুরি করে নিয়ে যায়। এই নতুন বিষয় পেয়ে যালিম দস্যু ব্রিটিশরা তাদের গবেষণাগার ‘উল্ভিচ ওয়ারেন’-এ ‘রকেট প্রযুক্তির উপর বিস্তর গবেষণা’ শুরু
করে এবং ‘রকেট প্রযুক্তির উন্নয়ন’-এর জন্য ব্যবহার করে। যালিম দস্যু
ব্রিটিশদের ‘উল্ভিচ ওয়ারেন’
গবেষণাগারের ‘রকেট সম্পর্কিত
গবেষণা’ সম্পূর্ণটাই শেরে মুহীশুর হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লহি আলাইহি উনার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
অথচ আজ এই রকেটের মাধ্যমে
কাফির-বেদ্বীনরা চাঁদকে স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে, মঙ্গল গ্রহ সহ ভিবিন্ন গ্রহ উপগ্রহে রকেট পাঠিয়ে নানা অজানা তথ্য জানতে পারছে কিন্তু চিন্তা করলে দেখা যাবে এর পিছনে মূল অবদান একজন মুসলীম বিজ্ঞানীর।
.
শুধু রকেটই নয়! বিজ্ঞানের প্রতিটি হালাল বিষয়ের মূল অবদান মুসলীম বিজ্ঞানীদের (রকেট আবিষ্কার তার একটা উৎকৃষ্ট উদাহরন মাত্র) কিন্তু সেই সঠিক ইতিহাস না জানার কারণে মুসলমানগণ তাদের আত্মগৌরব ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত।
মুজাহিদিন’ নামে একটি কিতাব বা বই লিখেন। যেখানে পৃথিবীতে
সর্বপ্রথম জ্বালানি রকেট-এর
ব্যবহারবিধি এবং একাধিক রকেট
লাঞ্চার কিভাবে ব্যবহার করতে হবে
তা বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি উনার
রচিত ‘ফাথহুল মুজাহিদিন’ বইটি উনার সব সেনা কর্মাধ্যক্ষদের মধ্যে বিতরণ করেন।
পরবর্রতীতে এই বইটি এবং কৌশল তথা প্রযুক্তিটি ব্রিটিশ লুটেরা
দস্যুরা চুরি করে নিয়ে যায়। এই নতুন বিষয় পেয়ে যালিম দস্যু ব্রিটিশরা তাদের গবেষণাগার ‘উল্ভিচ ওয়ারেন’-এ ‘রকেট প্রযুক্তির উপর বিস্তর গবেষণা’ শুরু
করে এবং ‘রকেট প্রযুক্তির উন্নয়ন’-এর জন্য ব্যবহার করে। যালিম দস্যু
ব্রিটিশদের ‘উল্ভিচ ওয়ারেন’
গবেষণাগারের ‘রকেট সম্পর্কিত
গবেষণা’ সম্পূর্ণটাই শেরে মুহীশুর হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লহি আলাইহি উনার উদ্ভাবিত প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
অথচ আজ এই রকেটের মাধ্যমে
কাফির-বেদ্বীনরা চাঁদকে স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে, মঙ্গল গ্রহ সহ ভিবিন্ন গ্রহ উপগ্রহে রকেট পাঠিয়ে নানা অজানা তথ্য জানতে পারছে কিন্তু চিন্তা করলে দেখা যাবে এর পিছনে মূল অবদান একজন মুসলীম বিজ্ঞানীর।
.
শুধু রকেটই নয়! বিজ্ঞানের প্রতিটি হালাল বিষয়ের মূল অবদান মুসলীম বিজ্ঞানীদের (রকেট আবিষ্কার তার একটা উৎকৃষ্ট উদাহরন মাত্র) কিন্তু সেই সঠিক ইতিহাস না জানার কারণে মুসলমানগণ তাদের আত্মগৌরব ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত।


EmoticonEmoticon