প্রতিভা মূল্যায়নে সরকারি পদক্ষেপ চাই।
খুদে খুদে আবিষ্কারগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রের চেহারা পাল্টে দিতে পারে।
সরকারের নির্লিপ্ততা আত্মঘাতী হবে।
———————————————————-
খুদে খুদে আবিষ্কারগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রের চেহারা পাল্টে দিতে পারে।
সরকারের নির্লিপ্ততা আত্মঘাতী হবে।
———————————————————-
বাংলাদেশ শুধু সুজলা-সুফলা বা শস্য-শ্যামলই নয়। এদেশের মাটিতে শুধু সোনা ফলে না। মাটির নিচে শুধু হীরা-জহরত, তেল-গ্যাস মিলে না। এদেশের মানুষগুলোর মাঝেও সোনালি উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিরাজমান। দিকে দিকে বিভিন্ন জায়গায় বাংলার সোনালি প্রতিভাবানরা আবিষ্কার করেছে, করছে বহু আলোড়নকারী সাশ্রয়ী জিনিস। দেশ ও জাতির সমস্যা পূরণে আবিষ্কার করছে অত্যাধুনিক টেকনলোজি। তেলবিহীন জেনারেটর থেকে জ্বালানিবিহীন হেলিকপ্টার আবিষ্কারের ঘটনাও এদেশে হয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে পৃষ্ঠপোষকতা করলো কই? তুষসহ বিভিন্ন ফেলনা দ্রব্যাদি থেকে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কোথায়? সরকার তার ব্যবহার করলো কই? বলাবাহুল্য, এদেশের আনাচে-কানাচে শহরের উপকণ্ঠে অনেক ভালো ভালো জিনিস আবিষ্কার হয়। কিন্তু তাতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা তো দূরের কথা সরকারি প্রচার মাধ্যম তা নিয়ে একটুখানি মাথাও ঘামায় না। প্রচার-প্রসার করে না। করলে অন্তত বেসরকারি পর্যায়েও পৃষ্ঠপোষক পাওয়া যেতে পারতো। এতে দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠী বছরের পর বছর বিনা খরচে বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে দেশের দুর্গম পার্বত্যাঞ্চলে এসব বেশি কাজে লাগবে।
সোলার বোতল বাল্বের উদ্ভাবক কাপ্তাই সেনা জোনের কর্মকর্তারা। কাপ্তাই জোন কমান্ডার ও ৭ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, একটি ১ বা ১.৫ লিটার সমপরিমাণের প্লাস্টিক অথবা কাঁচের বোতল, যা বাতি হিসেবে কাজ করে থাকে। ওই বোতলে বিশুদ্ধ পানি ও ৩ চামচ (১০ মিলিলিটার) ব্লিচিং কিংবা তরল ক্লোরিন দ্রবণ মিশ্রিত করে বোতলের মুখ ভালোভাবে গালা দিয়ে বন্ধ করতে হবে। এরপর ১ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১ ফুট প্রস্থ আয়তন বিশিষ্ট একটি টিন মাঝখানে ছিদ্র করে বোতলের গায়ে লাগাতে হবে। বাড়ি বা বাসার ছাদের টিনটি বোতলের পরিমাপে ছিদ্র করে ওই স্থানে বোতল স্থাপন করতে হবে। এটি স্থাপনের সময় বোতলের ১ তৃতীয়াংশ টিনের উপরিভাগে এবং ২ তৃতীয়াংশ ঘরের ভিতর রেখে বোতলটি বসাতে হবে। বৃষ্টির পানি ঘরে প্রবেশ না করার জন্য বোতলের চতুর্দিকে গালা দিয়ে শক্ত করে আটকে দিতে হবে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো বোতলের উপরের অংশে পড়লে সে আলো প্রতিফলিত হয়ে বোতলের পানির সাহায্যে ঘরের ভিতর সমানভাবে আলো ছড়িয়ে পড়বে। যা ৫৫ ওয়াটের একটি এনার্জি বাল্বের আলোর সমতুল্য। রাতের বেলায় বোতলের মধ্যে রাস্তার কোনো বাতির আলো পড়লে তাও প্রতিফলিত হয়ে ঘর আলোকিত করবে। বোতলে ক্লোরিন অথবা ব্লিচিং মিশ্রিত পানি পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত বদলাতে হবে না। অর্থাৎ একটি বোতল বাল্ব তৈরি করে বাড়িতে স্থাপন করলে সূর্যের আলো থেকে এই বাল্বটি কোনো খরচ ছাড়াই টানা ৫ বছর পর্যন্ত নিয়মিত আলো দিয়ে যাবে। বাংলাদেশে এই সোলার বাল্ব প্রযুক্তি প্রথম উদ্ভাবিত হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই বাল্ব তৈরি করতে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পরে। বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করলে খরচ আরো কমে ২০ টাকায় প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। এই বাল্ব ব্যবহারে কোনো বিদ্যুৎ খরচ নেই। সূর্যের আলো-ই এই বাল্বের মূল বিদ্যুৎ শক্তি। এ প্রযুক্তি প্রস্তুতকরণে প্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলো সহজলভ্য। এটি পরিবেশ বান্ধব ও এর দ্বারা কোনো প্রকার দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই। উদ্ভাবনকৃত সোলার বোতল বাল্ব প্রযুক্তি জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাপ্তাই সেনা জোন সদর দপ্তরে ৭ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়ান কর্তৃপক্ষ এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। বলাবাহুল্য, দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে পূরণসহ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে এ প্রযুক্তি অনেকটা কার্যকর। এছাড়া পার্বত্য এলাকায় বিশেষভাবে এ প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে দেশে প্রথম উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি দ্রুততম সময়ে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন।
এদিকে রাজধানী-ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকা। এখানেই গড়ে উঠেছে ছোট-বড় দুই হাজার কারখানা। দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এখানে। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত আইফোনের নকলও তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞানহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত ওই শিল্পের কারিগর। তাদের স্থানীয়রা ডাকেন ‘ইঞ্জিনিয়ার’ নামে। অমিত প্রতিভাবান এই ইঞ্জিনিয়ারদের আবিষ্কার ও উদ্ভাবন দেখলে যে-কারোর তাক লেগে যাবে। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওই ইঞ্জিনিয়াররা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও সেগুলো বিদেশী পণ্যের চেয়ে বেশি টেকসই। এক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দূরে থাক; উল্টো ‘নকলবাজ’ নামের দুর্নামের সিলমোহর মারা এই ইঞ্জিনিয়ারদের কপালে। অথচ সহযোগিতা দেয়া গেলে এই জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান। সংশ্লিষ্টরা জানায়, বর্তমানে জিঞ্জিরাকেন্দ্রিক খুদে কারখানাগুলো থেকে বছরে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত অনেক পণ্যই দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে রফতানী হচ্ছে। জিঞ্জিরাকে অনুসরণ করে দেশজুড়ে এ রকম শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে ৪০ হাজারেরও বেশি। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি (বাইশিমাস) সূত্র জানায়, দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের হাল্কা প্রকৌশল শিল্পে বছরে টার্নওভার প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় আড়াইশ’ কোটি টাকারও বেশি। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে ছয় লাখ কর্মীসহ পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে ৬০ লাখ লোকের জীবিকা।
শিল্প সেক্টরের অভিজ্ঞজনরা জানিয়েছে, জাপান, চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শিল্পোন্নত সব দেশই শুরুতে হালকা প্রকৌশল খাতে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানে ‘টাইম বাউন্ড ভিশন ডকুমেন্ট’ পর্যন্ত প্রণয়ন করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে সরকারিভাবে কোনো রকম সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আর এতে জিঞ্জিরা শিল্পের আকাশছোঁয়া সম্ভাবনাও মাটি চাপা পড়েছে। এ হালকা প্রকৌশল শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই ৫০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অথচ অবহেলা-অবজ্ঞার কাছেই গ-িবদ্ধ হয়ে আছে হালকা প্রকৌশল শিল্প খাত।
এ প্রকল্পগুলো অভিনব এবং সম্ভাবনাময়। এ উদ্ভাবনকে কাজে লাগাতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের প্রযুক্তিখাত ছাড়াও অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।
সোলার বোতল বাল্বের উদ্ভাবক কাপ্তাই সেনা জোনের কর্মকর্তারা। কাপ্তাই জোন কমান্ডার ও ৭ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, একটি ১ বা ১.৫ লিটার সমপরিমাণের প্লাস্টিক অথবা কাঁচের বোতল, যা বাতি হিসেবে কাজ করে থাকে। ওই বোতলে বিশুদ্ধ পানি ও ৩ চামচ (১০ মিলিলিটার) ব্লিচিং কিংবা তরল ক্লোরিন দ্রবণ মিশ্রিত করে বোতলের মুখ ভালোভাবে গালা দিয়ে বন্ধ করতে হবে। এরপর ১ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১ ফুট প্রস্থ আয়তন বিশিষ্ট একটি টিন মাঝখানে ছিদ্র করে বোতলের গায়ে লাগাতে হবে। বাড়ি বা বাসার ছাদের টিনটি বোতলের পরিমাপে ছিদ্র করে ওই স্থানে বোতল স্থাপন করতে হবে। এটি স্থাপনের সময় বোতলের ১ তৃতীয়াংশ টিনের উপরিভাগে এবং ২ তৃতীয়াংশ ঘরের ভিতর রেখে বোতলটি বসাতে হবে। বৃষ্টির পানি ঘরে প্রবেশ না করার জন্য বোতলের চতুর্দিকে গালা দিয়ে শক্ত করে আটকে দিতে হবে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো বোতলের উপরের অংশে পড়লে সে আলো প্রতিফলিত হয়ে বোতলের পানির সাহায্যে ঘরের ভিতর সমানভাবে আলো ছড়িয়ে পড়বে। যা ৫৫ ওয়াটের একটি এনার্জি বাল্বের আলোর সমতুল্য। রাতের বেলায় বোতলের মধ্যে রাস্তার কোনো বাতির আলো পড়লে তাও প্রতিফলিত হয়ে ঘর আলোকিত করবে। বোতলে ক্লোরিন অথবা ব্লিচিং মিশ্রিত পানি পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত বদলাতে হবে না। অর্থাৎ একটি বোতল বাল্ব তৈরি করে বাড়িতে স্থাপন করলে সূর্যের আলো থেকে এই বাল্বটি কোনো খরচ ছাড়াই টানা ৫ বছর পর্যন্ত নিয়মিত আলো দিয়ে যাবে। বাংলাদেশে এই সোলার বাল্ব প্রযুক্তি প্রথম উদ্ভাবিত হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই বাল্ব তৈরি করতে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পরে। বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করলে খরচ আরো কমে ২০ টাকায় প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। এই বাল্ব ব্যবহারে কোনো বিদ্যুৎ খরচ নেই। সূর্যের আলো-ই এই বাল্বের মূল বিদ্যুৎ শক্তি। এ প্রযুক্তি প্রস্তুতকরণে প্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলো সহজলভ্য। এটি পরিবেশ বান্ধব ও এর দ্বারা কোনো প্রকার দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই। উদ্ভাবনকৃত সোলার বোতল বাল্ব প্রযুক্তি জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাপ্তাই সেনা জোন সদর দপ্তরে ৭ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়ান কর্তৃপক্ষ এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। বলাবাহুল্য, দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে পূরণসহ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে এ প্রযুক্তি অনেকটা কার্যকর। এছাড়া পার্বত্য এলাকায় বিশেষভাবে এ প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি কাপ্তাই সেনা জোনের উদ্যোগে দেশে প্রথম উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি দ্রুততম সময়ে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন।
এদিকে রাজধানী-ঘেঁষে কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকা। এখানেই গড়ে উঠেছে ছোট-বড় দুই হাজার কারখানা। দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এখানে। ফ্লাস্ক থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত আইফোনের নকলও তৈরি হয় এখানে। অক্ষরজ্ঞানহীন বা স্বল্পশিক্ষিত যুবকরাই মূলত ওই শিল্পের কারিগর। তাদের স্থানীয়রা ডাকেন ‘ইঞ্জিনিয়ার’ নামে। অমিত প্রতিভাবান এই ইঞ্জিনিয়ারদের আবিষ্কার ও উদ্ভাবন দেখলে যে-কারোর তাক লেগে যাবে। পৃথিবীর যেকোনো পণ্য বা যন্ত্রাংশ একবার দেখলেই ওই ইঞ্জিনিয়াররা হুবহু বানিয়ে দিতে পারে। গুণে-মানেও সেগুলো বিদেশী পণ্যের চেয়ে বেশি টেকসই। এক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দূরে থাক; উল্টো ‘নকলবাজ’ নামের দুর্নামের সিলমোহর মারা এই ইঞ্জিনিয়ারদের কপালে। অথচ সহযোগিতা দেয়া গেলে এই জিঞ্জিরা হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের চীন-জাপান। সংশ্লিষ্টরা জানায়, বর্তমানে জিঞ্জিরাকেন্দ্রিক খুদে কারখানাগুলো থেকে বছরে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত অনেক পণ্যই দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে রফতানী হচ্ছে। জিঞ্জিরাকে অনুসরণ করে দেশজুড়ে এ রকম শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে ৪০ হাজারেরও বেশি। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি (বাইশিমাস) সূত্র জানায়, দুই হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের হাল্কা প্রকৌশল শিল্পে বছরে টার্নওভার প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় আড়াইশ’ কোটি টাকারও বেশি। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে ছয় লাখ কর্মীসহ পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে ৬০ লাখ লোকের জীবিকা।
শিল্প সেক্টরের অভিজ্ঞজনরা জানিয়েছে, জাপান, চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শিল্পোন্নত সব দেশই শুরুতে হালকা প্রকৌশল খাতে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানে ‘টাইম বাউন্ড ভিশন ডকুমেন্ট’ পর্যন্ত প্রণয়ন করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে সরকারিভাবে কোনো রকম সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আর এতে জিঞ্জিরা শিল্পের আকাশছোঁয়া সম্ভাবনাও মাটি চাপা পড়েছে। এ হালকা প্রকৌশল শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই ৫০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। অথচ অবহেলা-অবজ্ঞার কাছেই গ-িবদ্ধ হয়ে আছে হালকা প্রকৌশল শিল্প খাত।
এ প্রকল্পগুলো অভিনব এবং সম্ভাবনাময়। এ উদ্ভাবনকে কাজে লাগাতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের প্রযুক্তিখাত ছাড়াও অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

EmoticonEmoticon