মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি এ কিতাবে কোনো কিছুই বর্ণনা করতে ছাড়িনি।” সুতরাং সমস্ত বিষয়ের সমাধান এই পবিত্র কুরআন মজীদ উনার মধ্যেই রয়েছে। মানুষের সামনে যেসব সমস্যা আসবে তার সমাধান পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা এবং পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে করতে হবে। ভোটার কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের বিষয়টি যখন আমাদের সামনে এসেছে তারও সমাধান পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকেই করতে হবে। যারা মনে করে ছবি ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র সম্ভব নয়, মূলতঃ তাদের পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনার উপর স্পষ্ট ধারণা নেই।
জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন মূলত, মানুষকে সনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে। সনাক্তকরণ কাজে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবহারের পর থেকে সনাক্তকরণ পদ্ধতির উপর প্রচুর গবেষণা হয়। পরিশেষে জন্ম নেয় Biometrics System.
নামে একটি নতুন বিষয়ের। মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ শনাক্ত করার পদ্ধতির নাম হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। মূলত দু’ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি রয়েছে।
১। Physiological বা শরীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য-এই বৈশিষ্ট্যগুলো স্থায়ী; যেমন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট-হাতের গঠন, চোখের রেটিনা ও আইরিশের গঠন, রগের গঠন ইত্যাদি। এই বৈশিষ্ট্যগুলো অপরিবর্তনশীল।
২। Behavioural বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য; যেমন গলার স্বর, স্বাক্ষর, লেখার ধরন বা গতি ইত্যাদি।
কিন্তু এ যাবৎকাল ধরে পৃথিবীতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং হাতের জ্যামিতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আবার এই দুটি বিষয়ের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবহার সর্বত্র।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতির চারটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে।
১। Well Established – এ পদ্ধতিটি সু-প্রতিষ্ঠিত। প্রায় ১০০ বছর ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে।
২। Proven – পরীক্ষিত। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতির ব্যবহারের সুফল পাওয়ার পর এই পদ্ধতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং AFIS (Automated Fingerprint Identification System) পদ্ধতি চালু হয়।
৩। Legally Accepted – আইনগতভাবে গৃহীত। বিশ্বের সবদেশের বিচার ব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিপোর্টকে রায় কার্যকর করতে ব্যবহার করে আসছে।
৪। Mature- পূর্ণাঙ্গ। বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি সবচেয়ে পুরনো এবং এর উপর যথেষ্ট গবেষণা হবার পর বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করেছে।
বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে ছবিও ব্যবহৃত হচ্ছে কিন্তু যেহেতু পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা, পবিত্র কিয়াস শরীফে ছবি তুলে তার ব্যবহার জায়িয নেই; বরং পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ সেখানে ছবি ছাড়া পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে জায়িয পদ্ধতিটুকুই ব্যবহার করতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান “শরাব ও জুয়ার মধ্যে কিছুটা ফায়দা থাকলেও গুনাহে কবীরাও রয়েছে।”
জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন মূলত, মানুষকে সনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে। সনাক্তকরণ কাজে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবহারের পর থেকে সনাক্তকরণ পদ্ধতির উপর প্রচুর গবেষণা হয়। পরিশেষে জন্ম নেয় Biometrics System.
নামে একটি নতুন বিষয়ের। মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণ শনাক্ত করার পদ্ধতির নাম হচ্ছে বায়োমেট্রিক্স। মূলত দু’ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি রয়েছে।
১। Physiological বা শরীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য-এই বৈশিষ্ট্যগুলো স্থায়ী; যেমন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট-হাতের গঠন, চোখের রেটিনা ও আইরিশের গঠন, রগের গঠন ইত্যাদি। এই বৈশিষ্ট্যগুলো অপরিবর্তনশীল।
২। Behavioural বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য; যেমন গলার স্বর, স্বাক্ষর, লেখার ধরন বা গতি ইত্যাদি।
কিন্তু এ যাবৎকাল ধরে পৃথিবীতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং হাতের জ্যামিতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আবার এই দুটি বিষয়ের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবহার সর্বত্র।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতির চারটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে।
১। Well Established – এ পদ্ধতিটি সু-প্রতিষ্ঠিত। প্রায় ১০০ বছর ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে।
২। Proven – পরীক্ষিত। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতির ব্যবহারের সুফল পাওয়ার পর এই পদ্ধতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং AFIS (Automated Fingerprint Identification System) পদ্ধতি চালু হয়।
৩। Legally Accepted – আইনগতভাবে গৃহীত। বিশ্বের সবদেশের বিচার ব্যবস্থা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিপোর্টকে রায় কার্যকর করতে ব্যবহার করে আসছে।
৪। Mature- পূর্ণাঙ্গ। বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি সবচেয়ে পুরনো এবং এর উপর যথেষ্ট গবেষণা হবার পর বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করেছে।
বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে ছবিও ব্যবহৃত হচ্ছে কিন্তু যেহেতু পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা, পবিত্র কিয়াস শরীফে ছবি তুলে তার ব্যবহার জায়িয নেই; বরং পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ সেখানে ছবি ছাড়া পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে জায়িয পদ্ধতিটুকুই ব্যবহার করতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান “শরাব ও জুয়ার মধ্যে কিছুটা ফায়দা থাকলেও গুনাহে কবীরাও রয়েছে।”


EmoticonEmoticon