বনকর্পূর গাছ
এদেশে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে পরিচিত।
স্থানীয় নাম:- ভূঁইওকরা, বনকর্পূর, বাখান, কারুঘাস।
লিনিয়াসের দ্বিপদ নাম – Lippia nodiflora(Syn. Phyla nodiflora).
পরিবার- Verbenaceae.
প্রজাতি: Pi nodiflora
গাছ: নীল সবুজ সবুজ; উপবৃত্তাকার, দীর্ঘ ৩/৪ ইঞ্চি পাটি থেকে পাতা খাঁজকাটা মার্জিন।
পুষ্পবিন্যাস: ছোট সাদা-গোলাপী পাপরী দ্বারা পরিবৃত একটি রক্তবর্ণ কেন্দ্র নিয়ে গঠিত ফুল . ফুলের গাছ মাঝে মাঝে matchweed বলা হয়, যা কেন একটি দেয়াশলাই এর মত লাগে.
ঋতু: গ্রীষ্মে কালে ভাল হয়।
বনকর্পূর বাংলাদেশের সব স্থানেই দেখা যায়। এছাড়া সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর দেখা মেলে। এর থাইল্যান্ডে নাম পাকাক্রং। আর ইন্দোনেশিয়ায় এর নাম জারং , চীনে সি হিয়েন। আনেকে এই গাজটি লাগিয়ে থাকে সোভা বর্ধক হিসেবে। এটি বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে ভাল জন্মে। এগুলো ঘসের মত আগাছা উ
বনকর্পূর বাংলাদেশের সব স্থানেই দেখা যায়। এছাড়া সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এর দেখা মেলে। এর থাইল্যান্ডে নাম পাকাক্রং। আর ইন্দোনেশিয়ায় এর নাম জারং , চীনে সি হিয়েন। আনেকে এই গাজটি লাগিয়ে থাকে সোভা বর্ধক হিসেবে। এটি বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে ভাল জন্মে। এগুলো ঘসের মত আগাছা উ
বনকর্পূর এর বিভিন্ন নাম: অগ্নিভলা, বহুশিখা, চিত্রপত্রী, পানিপিপালী, মহারাস্ট্রী, প্রণদা, সারধী, ভৃণসীতা ও কপুরোগন্ধা।
ঔষধী গুন:
- বনকর্পূর গাছের শিরায় শিরায় আছে অনেক উপকারী রাসায়নিক দ্রব্য। যেমন- ট্যানিন, গ্লাইকোসাইডস- নডিফ্লোরিন এ ও বি, রূটিন, লিমোলীন, ভাবেনালিন ও জেরানিওল।
- ডাইইউরেটিকস: এর পাতার রশ ডাইইউরেটিকস এর রোগীদের জন্য উপকারী
- জ্বরনাশক: বনকর্পূর জ্বরনাশক।
- বাত ব্যথা: বাতের বেদনা ও হাঁটুর ব্যথায়ও ব্যবহৃত হয়।
- বদহজম: পাতা ও কচি ডাঁটার ক্বাথ শিশুদের বদহজমে হিতকর।
- প্রসূতিদের জন্য: প্রসূতিদেরও সেবন করালে উপকার পাওয়া যায়।
- জীবাণূনাশক: বনকর্পূর পাতার রসে আছে জীবাণূনাশক শক্তি।
- হৃদজনিত ও রক্তচাপ: কিছুদিন আগে জাপানি ও থাই বিজ্ঞানীরা পাতা ও ফুলের রসে হৃদজনিত ও রক্তচাপ রোগের ওষুধের সন্ধান পেয়েছেন।


EmoticonEmoticon