পৃথিবীর মোট আয়তনের তিন ভাগ পানি এক ভাগ স্থল। তবে সম্প্রতি ভূ-তলের ৪৪০ মাইল নীচে মহাসাগরের তিন গুণ বড় মহাসাগরের খোঁজ পেলো এক দল ভূ-গবেষক।
মার্কিন ভূ-গবেষক স্টিভ জ্যাকবসনের মতে, পৃথিবীর উপরি ভাগের পানি মাটির নীচ থেকেই উঠে এসেছে। সে আরও জানায়, পানির উৎপত্তি কীভাবে হয়েছিল, তার রহস্য ভেদ করতে মাটির নিচের মহাসাগরের পানি সাহায্য করবে।
কিন্তু মাটির এত নিচে এত বড় পানির আধার তৈরি হলো কী ভাবে?
পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মাটির ৪৪০ মাইল নিচে ক্রিস্টালের মতো এক ধরনের পাথরের একটি স্তর রয়েছে, যা অনেকটা স্পঞ্জের মতো কাজ করে। এই স্তরটি হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন পরমাণু শুষে নিয়ে নিচে জমা করে। এবং দুটি মিশে পানি তৈরি হয়।
এ ভাবে ধীরে ধীরে এক বিরাট পানির আধার তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা করার সময় ২০০০ সিসমোমিটার যন্ত্র নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভূ-কম্পনের মাত্রা মাপতে গিয়ে এই পানির আধারের হদিস পায় গবেষকেরা।
তবে তারা এখনো এটা জানতে পারেনি, এই পানির বিস্তার কতটা। এ নিয়েএখনও গবেষণা চালাচ্ছে তারা।
কিন্তু মাটির এত নিচে এত বড় পানির আধার তৈরি হলো কী ভাবে?
পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মাটির ৪৪০ মাইল নিচে ক্রিস্টালের মতো এক ধরনের পাথরের একটি স্তর রয়েছে, যা অনেকটা স্পঞ্জের মতো কাজ করে। এই স্তরটি হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন পরমাণু শুষে নিয়ে নিচে জমা করে। এবং দুটি মিশে পানি তৈরি হয়।
এ ভাবে ধীরে ধীরে এক বিরাট পানির আধার তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা করার সময় ২০০০ সিসমোমিটার যন্ত্র নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভূ-কম্পনের মাত্রা মাপতে গিয়ে এই পানির আধারের হদিস পায় গবেষকেরা।
তবে তারা এখনো এটা জানতে পারেনি, এই পানির বিস্তার কতটা। এ নিয়েএখনও গবেষণা চালাচ্ছে তারা।

EmoticonEmoticon