গোসলের ফরয তিনটি
——————————
গোসলের মধ্যে তিনটি ফরয রয়েছে। যদি কোন একটি বাদ বা অসম্পূর্ণ থেকে যায় তবে তার শরীর পাক হবে না বরং নাপাক-ই থেকে যাবে।
*গড়গড়ার সাথে কুলি করা (যদি সে রোযাদার না হয়)।
*নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌছানো।
* সমস্ত শরীরে ভালভাবে পানি পৌছানো।
(ফিকহুল মুয়াচ্ছার)
উপরোক্ত তিনটি কাজ সম্পাদন করলেই গোসল হয়ে যাবে, তাবে নিম্নে বর্ণিত সুন্নত তরীকায় গোসল পরিপূর্ণ হবে এবং তা ইবাদতের মধ্যে গণ্য হবে।
গোসল করার সুন্নত তরীকা
——————————–
*গোসলের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম’ পড়বে।
* পবিত্রতা অর্জনের নিমিত্তে গোসল করছি এ নিয়ত করবে।
(ফিকহুল মুয়াচ্ছার)
*অতঃপর হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উভয় হাত মুবারক কবজি পর্যন্ত ধৌত করতেন।
(বুখারী শরীফ)
*অতঃপর লজ্জাস্থান বাম হাতে তিনবার ধৌত করতে হবে।
(মুসলিম শরীফ)
*অতঃপর ডান হাত মুবারকের সাহায্যে বাম হাত মুবারকের উপর পানি ঢেলে তা ধৌত করে নিতেন।
(মুসলিম শরীফ)
*অতঃপর তিনি যথা নিয়মে ওযু করতেন।
(মা’য়ারিফুল হাদীস শরীফ)
*অতঃপর ডলে ডলে চুল মুবারক উনার গোড়ায় পানি পৌছাতেন।
(বুখারী শরীফ)
*অতঃপর দুই হাত মুবারক ভরে তিনবার মাথায় মুবারকে পানি ঢালতেন।
(বুখারী শরীফ)
*অতঃপর ডান কাধঁ মুবারকে তিনবার পানি ঢালতেন।
(শামী)
*অতঃপর বাম কাধঁ মুবারকে তিনবার পানি ঢালতেন।
(শামী)
*অতঃপর সমস্ত শরীর মুবারকে পানি পৌছাতেন।
(মা’য়ারিফুল হাদীস শরীফ, শামী)
*সবশেষে গোসলের জায়গা হতে সরে গিয়ে দু’পা মুবারক ধৌত করতেন।
(মায়ারিফুল হাদীস শরীফ)
*গোসল শেষে রুমাল ব্যবহারের পরিবর্তে তিনি শরীর মুবারক থেকে পানি নিঃশেষে ঝেড়ে দিতেন।আবার কখনও রুমাল দ্বারা মুছে নিতেন।
(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, নাসায়ী শরীফ, শামী)

EmoticonEmoticon