“মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ব্যতীত কোন বান্দা সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা।


কেউ যদি মাছ কিনতে চায় সে কাপড়ের দোকানে গেলে কি মাছ কিনতে পারবে?
আবার কারো যদি চোখে সমস্যা দেখা দেয় সে দাঁতের ডাক্তারের কাছে গেলে কি চোখ দেখাতে পারবে?
না। পারবে না।
এখন কেউ যদি রহমত লাভ করতে চায় তাহলে তার উচিৎ হবে যেখানে গেলে রহমত পাওয়া যাবে সেখানে যাওয়া। রহমত কোথায় পাওয়া যাবে? সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّ رَحْمَتَ اللَّـهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরাম উনাদের নিকটে রয়েছে।” (পবিত্র সূরা আ’রাফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)
কেন মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরাম উনাদের নিকটে রহমত থাকে?
কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরাম উনাদের সাথে থাকেন।
সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَإِنَّ اللَّـهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের সাথে রয়েছেন।” (পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৯)
তাই আমাদের রহমত লাভ করতে হলে মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের কাছে যেতে হবে।
কেননা হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عن ام المؤمنين حضرت عائشة صديقة عليها السلام قَالَتْ قَالَ النبى صلى الله عليه وسلم مَا مِنْ اَحَدٍ يَدْخُلُ الجَنَّةَ اِلاَّ بِرَحْمَةِ اللهِ تَعَالى-
অর্থঃ “মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ব্যতীত কোন বান্দা সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। ” (বায়হাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
এখন আমাদেরকে নাযাত পেতে হলে রহমত মুবারক লাভ করতে হবে আর রহমত মুবারক লাভ করতে হলে মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরামগণ উনাদের কাছে যেতে হবে।
Previous
Next Post »