হযরত নুহ আলাইহিস সালাম এর সময়কার ঘটনা।



নুহু আলাইহিস সালাম আল্লাহ পাকের আদেশে কিস্তি নির্মান শেষ করলেন।তার মধ্যে প্লাবনের সময় যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে তাদেরকে এবং প্রতিটি প্রানীর জোড়ায় জোড়ায় ঐ কিস্তিতে তোলার জন্য নির্দেশ দিলেন।
অতঃপর কাফেররা এসে তিরস্কার ছলে তার নির্মিত কিস্তির ভিতরে দলে দলে এসে ইস্তেঞ্জা করে পূর্ন করে ফেললো। নুহু আলাইহিস সালাম এই দৃশ্য দেখে মহান আল্লাহ পাকের দরবারে আর্জি পেশ করলেন । আল্লাহ পাক উনাকে ওহী করে বললেন” হে নুহু আলাইহিস সালাম আপনি কোন চিন্তা করবেননা। দেখুন আমি আল্লাহ পাক কি করতে পারি।”
ঐ কিস্তিতে সর্বশেষ যে পায়খানা করার জন্য গেল সে ছিল কুষ্ট রোগগ্রস্থ এক বুড়ি। বুড়ি ঐ কিস্তির মধ্যে ইস্তেঞ্জা করতে গিয়ে ঐ ইস্তেঞ্জার মধ্যে পড়ে বুড়ি ডুবে গেল। ইস্তেঞ্জার মধ্যে গোছল করে বুড়ি উপরে উঠে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখে তার দেহে কোন কুষ্ট রোগতো নেই বরং সে ১৬ বৎসরের যুবতির ন্যায় তার চেহারা হয়ে গিয়েছে।
বুড়ি এই ইস্তেঞ্জাকে বরকতময় ও রোগের শেফা মনে করে তার লোটা ভর্তি করে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করলো। গোত্রের সকলে বুড়িকে দেখে হতবাক। সকলে বললো, বুড়ি তোমার কুষ্ঠরোগ কিভাবে ভাল হলো ? এবং তুমিই বা কিভাবে পূনরায় যুবতী হলে ? বুড়ি সব ঘটনা খুলে বললো। শুনে সকল কাফেরা দলে দলে যার যার যত লোটা বাটি ছিল সব ভর্তি করে কিস্তির সমস্ত ইস্তেঞ্জা এমনভাবে পরিস্কার করলো যে কিছুই বাকী রহিল না। সবশেষে যারা আসলো তার ইস্তেঞ্জা না পেয়ে পানি দিয়ে এমন ভাবে কিস্তিটা ধৌত করে পানি নিল যে কিস্তিটি পূর্বের তুলনায় ভালোভাবে পরিস্কার হলো।
নারায়নগঞ্জে হিন্দু শিক্ষকের ইসলাম কটুক্তিতে কান ধরে উঠবস করানোর পর নাস্তিক ,হিন্দু ,ইসলামবিদ্বেষীরা কান ধরে একাত্বতা প্রকাশ করায় নুহ আলাইহিস সালাম এর কাহিনি মনে পড়ে গেল।
আল্লাহ পাক যুগে যুগে নাস্তিক-কাফির -ইসলামবিদ্বেষিদের এভাবেই লাঞ্চিত করেন।
Previous
Next Post »