ক্বাবা শরীফের দায়িত্ব হস্তান্তরঃ
মক্কা বিজয়ের পর ক্বাবা শরীফের দরজার চাবি বনি সায়বা নামক গোত্রের হযরত উসমান কিন তালহা উনার কাছ থেকে হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়ে নেন তখন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু তয়াল আনহু আল্লাহ পাকের হাবীব বর্ণিত হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার নিকট আরজ কারেন আমি যেহেতু পানি বন্টনের দায়িত্বে আছি পবিত্র বাইতুল্লাহ/ ক্বাবা শরীফের চাবি আমাকে দেয়া হোক। وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَى ০ إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى অর্থঃ “আল্লাহ্ পাকের হাবীব বর্ণিত হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি কোন কথাই ওহী ব্যতীত নিজ থেকে বলেন না” (সূরা নজম ৩-৪) সেহেতু তিনি আপেক্ষায় রইলেন আল্লাহ্ পাক আয়াত শরীফ নাজিল করলেন।إِنَّ اللّهَ يَأْمُرُكُمْ أَن تُؤدُّواْ الأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا وَإِذَا حَكَمْتُم بَيْنَ النَّاسِ أَن تَحْكُمُواْ بِالْعَدْلِ إِنَّ اللّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُم بِهِ إِنَّ اللّهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا –(সূরা আন নিসা ৫৯নং আয়াত শরীফ) অর্থঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদিগকে নির্দেশ দেন যে, তোমরা যেন প্রাপ্য আমানাত সমূহ প্রাপকদের নিকট পৌছে দাও। আর যখন তোমরা মানুষের কোন বিচার-মীমাংসা করতে আরম্ভ কর, তখন মীমাংসা কর ন্যায় ভিত্তিক। আল্লাহ তোমাদিগকে সদুপদেশ দান করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী, দর্শনকারী।“ আল্লাহ পাকের হাবীব বর্ণিত হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্বাবা শরীফের চাবি উসমান বিন তালহা উনার কাছে ফিরিয়ে দিলেন এবং বলেদিলেন এ চাবির দায়ীত্ব কিয়ামত পর্ষন্ত আপনার ও আপনার বংশধর গন হেফাজতে দেয়া হল। আপনি বা আপনার বংশধর ছাড়া অন্যকেউ এ চাবি/ দায়িত্ব নিলে সে হয়ে যাবে জালিম। উসমান বিন তালহা উনি তখনও ইসলাম গ্রহণ করেননি। তিনি এঘটনায় উনার সুক্ষবিবেক জেগে উঠে এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এখন সায়বা গোত্র ক্বাবা শরীফ পরিস্কার করার কাজের জন্য বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, কুটনীতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের দের অভিবাদন জানান। মক্কা শহরের গভর্নর তাদের ক্বাবা শরীফের ভিতরে নিয়ে যান এবং তারা যমযম কুপের পানি এবং গোলাপ জল দিয়ে কাবা শরীফের ভিতর পরিস্কার করেন।
সমালোচনাঃ
আসলে ইসলামে এখন খুব কম বিষয় আছে যা নিয়ে ইহুদী, নাসারা ও মুসরেকরা বিভ্রান্তির জাল বিস্তার করেনি। ইবলিশ তার শয়তানির পুরো মাত্রা জারি রেখেছে তাদের দোষদের দ্বারা। আপনারা আগেই পরেছেন যা আবার দেয়া হল
“আবদুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম কূপ খননকালে তার মধ্যে ‘নাযেদ’ নামক একটি মূর্তি পরিত্যক্ত অবস্হায় পান। মূর্তিটি যমযম ইঁদারা (কূপ) থেকে সরিয়ে ফেললে পানি প্রবাহ আবার শুরু হয়। এ মূর্তিটি রেখে গিয়েছিল যারহাম গোত্রের লোকেরা। তাদের এ নাফরমানির দরুন আল্লাহ যমযমের পানি বন্ধ রেখেছিলেন।“
উপরে দেখুন একটি মূর্তির করণে যমযম কুপের পানি বন্ধ ছিল। আর আজ মুসলমানদের ঘরে ঘরে মূর্তি, ছবি, বাদ্য প্রবেশ করেছে। একমন কি খালি থাকেনি পবিত্র হেরেম শরীফ সেখানে আমাদের প্রাণাধিক প্রিয় সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন খ’তামান নবীইন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৩৬০ টি মূর্তি কাবা শরীফ থেকে বরে করেছিলেন অথচ নাম ধারী মুনাফিক রা সেখানে ক্লোজ সার্কিট ক্যমেরা বসিয়ে আবার সে পৈত্তলিকতা ফিরিয়ে আনার শুক্ষ ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। তার পবিত্র যমযম এর পানি এ অফুরন্ত নেয়ামত থেকে মুসলমান দের সরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন অপ প্রচার চালিয়ে আসছে। এর একটি উদাহরণ আগে বলা হয়েছে। এখন আবার ব্রিটেন ভিত্তিক একটি সংস্থা দাবী করছে এই যমযম কুপের পানিতে নাকি অতি মাত্রায় আর্সেনিক আছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু তাদের ও আমাদের জ্ঞাতার্থে বলা হচ্ছে এই পর্যন্ত যমযম কুপ এবং এর আসে পাশের এলাকা অনেক বার বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে কিন্তু আল্লাহ্ কি কুদরত যমযম কুপের পানি সেই বাহিরের পানি থেকে সর্ম্পুন পৃথক ভাবে প্রবাহিত হয়েছে এবং যখন যমযম কুপের মুখ হতে প্লাবনের পানি উপরে উঠে যায় তখন কুদরতি ভাবে এই যমযম কুপের পানির গতি বেরে উপচে এই মুবারক পানি পৃথক ভাবে বের হতে থাকে যাতে কুপের পানি কোন প্রকার দুষনের শিকার না হয়।আবার যমযম কুপের পানি যখন সরু ক্যানেল করে অদূরের পানির ট্যাংকে নেয়া হয় তখন ও পানি পরিশুদ্ধ থাকে যদিনা বাহিরের কোন পানি এর সাথে মিশ্রিত হয়। (সুবহান আল্লাহ্ )
উপরে দেখুন একটি মূর্তির করণে যমযম কুপের পানি বন্ধ ছিল। আর আজ মুসলমানদের ঘরে ঘরে মূর্তি, ছবি, বাদ্য প্রবেশ করেছে। একমন কি খালি থাকেনি পবিত্র হেরেম শরীফ সেখানে আমাদের প্রাণাধিক প্রিয় সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন খ’তামান নবীইন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৩৬০ টি মূর্তি কাবা শরীফ থেকে বরে করেছিলেন অথচ নাম ধারী মুনাফিক রা সেখানে ক্লোজ সার্কিট ক্যমেরা বসিয়ে আবার সে পৈত্তলিকতা ফিরিয়ে আনার শুক্ষ ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। তার পবিত্র যমযম এর পানি এ অফুরন্ত নেয়ামত থেকে মুসলমান দের সরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন অপ প্রচার চালিয়ে আসছে। এর একটি উদাহরণ আগে বলা হয়েছে। এখন আবার ব্রিটেন ভিত্তিক একটি সংস্থা দাবী করছে এই যমযম কুপের পানিতে নাকি অতি মাত্রায় আর্সেনিক আছে যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু তাদের ও আমাদের জ্ঞাতার্থে বলা হচ্ছে এই পর্যন্ত যমযম কুপ এবং এর আসে পাশের এলাকা অনেক বার বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে কিন্তু আল্লাহ্ কি কুদরত যমযম কুপের পানি সেই বাহিরের পানি থেকে সর্ম্পুন পৃথক ভাবে প্রবাহিত হয়েছে এবং যখন যমযম কুপের মুখ হতে প্লাবনের পানি উপরে উঠে যায় তখন কুদরতি ভাবে এই যমযম কুপের পানির গতি বেরে উপচে এই মুবারক পানি পৃথক ভাবে বের হতে থাকে যাতে কুপের পানি কোন প্রকার দুষনের শিকার না হয়।আবার যমযম কুপের পানি যখন সরু ক্যানেল করে অদূরের পানির ট্যাংকে নেয়া হয় তখন ও পানি পরিশুদ্ধ থাকে যদিনা বাহিরের কোন পানি এর সাথে মিশ্রিত হয়। (সুবহান আল্লাহ্ )

EmoticonEmoticon