কথিত ক্রিসমাস থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নয়, বরং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকে খ্রিস্টানারা কথিত ক্রিসমাসের থিউরী গ্রহণ করেছে



কিছু মূর্খ দাবি করে থাকে, খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে মুসলমানরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ!
মূলত, এ শ্রেণীর লোকরা এবং গ-মূর্খ কাফিরদের কাজের দ্বারা হীনম্মন্য হয়ে পড়েছে। ইতিহাসই বলে দেয়, সেই শুরু থেকেই মুসলমানগণ উনাদের মধ্যে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ বা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের প্রচলন ছিলো। তবে ৬শ’ হিজরী শতাব্দীতে (১২শ’ ঈসায়ী সন) হযরত সালাহুদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহির সময় খুব শান-শওকাত উনার সাথে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো। অথচ খ্রিস্টানদের কথিত ক্রিসমাসের পালনের রীতি সামান্য কিছুদিন আগের। কারণ খোদ পোপই খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস পালনকে নিষিদ্ধ করে রেখেছিলো। ইতিহাস বলছে- “১৯শ’ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত তাদের ক্রিসমাস পালনের তেমন অস্তিত্ব ছিলো না। ১৯শ’ শতাব্দীতে লেখক চালর্স ডিকেন্স ‘অ্যা ক্রিসমাস ক্যারল’ নামক উপন্যাস লিখে খ্রিস্টানদের মধ্যে ক্রিসমাস প্রচারে জোর ভূমিকা রাখে। তখন থেকেই খ্রিস্টানদের মধ্যে ক্রিসমাস পালন শুরু হয়। কারণ খ্রিস্টানরা তখন দেখতো, মুসলমানরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কত জাকজমকভাবে পালন করে, ঘরবাড়ি সাজায়, মানুষকে খাদ্য খাওয়ায়, উৎসব করে। মূলতঃ মুসলমানদের দেখেই খ্রিস্টানরা ক্রিসমাস পালন শুরু করে। এ সম্পর্কে বলা হয়- Christmas did not become a legal holiday there until 1856. Even then, some schools continued to hold classes on December 25 until 1870Õ
(সূত্র: http://goo.gl/AMwyuW)
অর্থাৎ ইতিহাসই বলে দিচ্ছে কথিত ক্রিসমাস থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নয়, বরং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকে কথিত ক্রিসমাসের কনসেপ্ট গ্রহণ করেছে খ্রিস্টানরা।

Previous
Next Post »