কালমেঘ গাছ, ফুল ও ফল
কালমেঘ:
বর্গ: Lamiales
পরিবার: Acanthaceae
গণ: Andrographis
প্রজাতি: A. paniculata (বৈজ্ঞানিক নাম অ্যান্ড্রোগ্রাফিস পানিকুলাটা)
নাম: বাংলাদেশে কালমেঘ/কালপানাস , আসামে- চিরতা, আরবীতে- কুচবুড়া, মারঠিতে- ওলি-কিরোতা, চায়নাতে- চুন জিন লায়ান এবং ইংরেজীতে Green chirayta,
কালমেঘ এর বৈশিষ্ঠ:
কালমেঘ একটি ভেষজ বর্ষজীবি উদ্ভিদ। গড় উচ্চতা ১ মিটার। এর শাখা চতুষ্কোণ এবং পাতা বল্লমাকৃতির হয়ে থাকে। ফুল ক্ষুদ্রাকার। ফুলের রং গোলাপী। অল্প পরিমাণে বিক্ষিপ্ত গুচ্ছে ফুল ফোটে। দেড় থেকে দু সে.মি. লম্বা ফল অনেকটা চিলগোজার মতন দেখতে।শিকড় ব্যতীত কালমেঘ গাছটির সব অংশই ঔষুধের কাজে লাগে। কালমেঘ অত্যন্ত তেতো এবং পুষ্টিকর। মানব দেহের রোগপ্রতিরোধী শক্তি বৃদ্ধি করে। জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ অত্যন্ত উপকারী। অনেকে কালমেঘ কে চিড়তা বালে থাকে কিন্তু কালমেঘ এবং চিড়তা ভিন্ন গাছ। কিন্তু স্বদে দুটোই ভিষন তেতো।
কালমেঘ একটি ভেষজ বর্ষজীবি উদ্ভিদ। গড় উচ্চতা ১ মিটার। এর শাখা চতুষ্কোণ এবং পাতা বল্লমাকৃতির হয়ে থাকে। ফুল ক্ষুদ্রাকার। ফুলের রং গোলাপী। অল্প পরিমাণে বিক্ষিপ্ত গুচ্ছে ফুল ফোটে। দেড় থেকে দু সে.মি. লম্বা ফল অনেকটা চিলগোজার মতন দেখতে।শিকড় ব্যতীত কালমেঘ গাছটির সব অংশই ঔষুধের কাজে লাগে। কালমেঘ অত্যন্ত তেতো এবং পুষ্টিকর। মানব দেহের রোগপ্রতিরোধী শক্তি বৃদ্ধি করে। জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ অত্যন্ত উপকারী। অনেকে কালমেঘ কে চিড়তা বালে থাকে কিন্তু কালমেঘ এবং চিড়তা ভিন্ন গাছ। কিন্তু স্বদে দুটোই ভিষন তেতো।
বংশ বিস্তার: এর ফল থেকে।
ব্যবহার্য অংশ: মূল, কাণ্ড ও পাতায়
প্রাপ্তি স্থান:
কালোমেঘ বাংলাদেশ ,ভারতের আসাম ও হিমাচল প্রদেশ জন্মে থাকে । আর্দ্র এবং অন্ধকারময় স্থান ভাল বৃদ্ধি হয়। তবে অল্প আলোকে বেশি চাষ হয়। বাংলাদেশে মাঠে-ঘাটে কিংবা বনবাদাড়ে অবহেলায়-অযত্নে বেড়ে ওঠে। কোনো ধরনের পরিচর্যা না থাকায় এসব ভেষজ উদ্ভিদ দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।
কালোমেঘ বাংলাদেশ ,ভারতের আসাম ও হিমাচল প্রদেশ জন্মে থাকে । আর্দ্র এবং অন্ধকারময় স্থান ভাল বৃদ্ধি হয়। তবে অল্প আলোকে বেশি চাষ হয়। বাংলাদেশে মাঠে-ঘাটে কিংবা বনবাদাড়ে অবহেলায়-অযত্নে বেড়ে ওঠে। কোনো ধরনের পরিচর্যা না থাকায় এসব ভেষজ উদ্ভিদ দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে।
কালোমেঘ এর সক্রিয় রাসায়নিক উপাদান সমূহ যা পুরো গাছে থাকে তা হলো:
*কালোমেঘিন,
*এনড্রোগ্রাফিসাইড ও এনড্রোগ্রাফোলাইড নামে এক ধরনের তিক্ত রাসায়নিক উপাদান।
*এ গাছের রসে ১৪-ডিঅক্সি-১১-এনড্রোগ্রাফোলাইড, ১৪-ডিওএনড্রোগ্রাফোলাইড ও এপিজনিন ইথারসহ ফ্ল্যাভোনয়েড, ফেনল ও স্টেরল বিদ্যমান।
*আবার মূলে আছে ফ্লাভোন, এনড্রোগ্রাফিন ও পেনিকোলিন নামক রাসায়নিক।
*কালোমেঘিন,
*এনড্রোগ্রাফিসাইড ও এনড্রোগ্রাফোলাইড নামে এক ধরনের তিক্ত রাসায়নিক উপাদান।
*এ গাছের রসে ১৪-ডিঅক্সি-১১-এনড্রোগ্রাফোলাইড, ১৪-ডিওএনড্রোগ্রাফোলাইড ও এপিজনিন ইথারসহ ফ্ল্যাভোনয়েড, ফেনল ও স্টেরল বিদ্যমান।
*আবার মূলে আছে ফ্লাভোন, এনড্রোগ্রাফিন ও পেনিকোলিন নামক রাসায়নিক।
এটা নির্দিষ্ট immune system ডেভলপমেন্ট andrographis এবং বিটা glucan কার্যকর immune system বৃদ্ধি । andrographis থেকে জীবিত প্রাণীর শক্তিশালী ইমিউন প্রতিক্রিয়া উদ্দীপিত করে থাকে । আক্রমণকারী জীবাণু যা শরীরের ইতিমধ্যে বর্তমান বা সাধারণভাবে ভবিষ্যতে সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালীকরনে ভূমিকা রাখে । Andrographis জোরালোভাবে রোগবীজাণু বিনাশ এবং নির্দিষ্ট এন্টিবডি উৎপাদন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে । যকৃত এবং পিত্ত থলি রক্ষা ।অন্ত্রের কৃমি ,pimples থেকে ত্বক রক্ষা,বেদনানাশক,Antibacterial হিসাবে কাজ করে থাকে ,ব্যাকটেরিয়া কার্যকলাপ এ সরাসরি antibacterial কর্ম প্রদর্শিত করে । এটা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে উদ্ভূত উপসর্গ কমাতে প্রভাব রাখে । রক্তের শর্করা হ্রাস করে থাকে । প্রশান্তিদায়ক, ঝিম এর ঔষধি হিসেবে কাজ করে ।
ঔষধী গুনাগুন:
শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। কালমেঘের পাতা থেকে তৈরী আলুই পশ্চিম বাংলার ঘরোয়া ঔষুধ যা পেটের অসুখে শিশুদের দেওয়া হয়। টাইফয়েড রোগে এবং জীবানুরোধে কালমেঘ কার্য্করী। সাধারণ একটা বিশ্বাস ছিল যে সাপের কামড়ে কালমেঘ খুব উপকারী। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে কথাটা ভুল। কোথাও কোথাও কালমেঘ গাছ বেটে সরষের তেলে চুবিয়ে নিয়ে চুলকানিতে লাগানো হয়। গাছের পাতার রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভার রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। কালমেঘের পাতা থেকে তৈরী আলুই পশ্চিম বাংলার ঘরোয়া ঔষুধ যা পেটের অসুখে শিশুদের দেওয়া হয়। টাইফয়েড রোগে এবং জীবানুরোধে কালমেঘ কার্য্করী। সাধারণ একটা বিশ্বাস ছিল যে সাপের কামড়ে কালমেঘ খুব উপকারী। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে কথাটা ভুল। কোথাও কোথাও কালমেঘ গাছ বেটে সরষের তেলে চুবিয়ে নিয়ে চুলকানিতে লাগানো হয়। গাছের পাতার রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভার রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
কালমেঘ গাছের পাতার রস জ্বর, কৃমি, অজীর্ণ, লিভার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীরা শিশুদের বদহজম ও লিভারের সমস্যায় প্রাচীনকাল থেকে এটি ব্যবহার করছে। এ গাছের রস রক্ত পরিষ্কারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক ও রেচক হিসেবেও কাজ করে। আবার এ গাছের পাতা সিদ্ধ করে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিলে ঘা-পাঁচড়া জাতীয় রোগ দূর হয় বলে আদিবাসীদের বিশ্বাস।


EmoticonEmoticon